হ্যান্সি ফ্লিকের সাথে বার্সায় আসছেন ম্যানুয়েল নয়্যারের বন্ধু। গোলর কোচ টনি তাপালোভিচ বায়ার্নে আসে ২০১১ সালে। টনির বয়স কম হওয়ায় নয়্যারের সাথে টনির সম্পর্কটা কোচ থেকে বন্ধুতে রূপ নিতে বেশি দেরি হয়নি। বন্ধুত্ব এতোটাই বেশি ছিল যে নয়্যারের বিয়েতে নয়্যারের ‘বেস্ট ম্যান’ ছিল তাপালোভিচ (বেস্ট ম্যান হচ্ছে বিয়েতে যে পাত্রকে সবধরনের হেল্প করে)। এমনকি ২০২২ সালে চুক্তি বাড়ানোর সময় নয়্যারের একটা কন্ডিশন ছিল, সে যতদিন ক্লাবে থাকবে, তাপালোভিচও ততদিন ক্লাবে থাকবে।
এতোক্ষণ পর্যন্ত পুরো ব্যাপারটাকে সাধারণ স্বজনপ্রীতির একটা উদাহরণ বললেও মাঠের ভেতরেও নয়্যার আর তাপালোভিচের কেমিস্ট্রি ছিল অন্য লেভেলের। ২০১১ সালে বায়ার্নে যোগ দেয়ার পর নয়্যারের অর্জনের দিকে তাকালেই বুঝা যায় তাপালোভিচের কৃতিত্ব। আর নয়্যারের ক্যারিয়ারে তাপালোভিচের গুরুত্ব কতটুকু এটা ফেয়ারওয়েল পোস্ট দেখলেই অনুমান করা যায়। তাছাড়া নয়্যারের অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য – দ্রুততম রিফ্লেক্স; এই রিফ্লেক্স মুভমেন্ট নিয়েও কাজ করেছেন তাপালোভিচ। এই ব্যাপারে নয়্যার নিজেই প্রেস কনফারেন্সে এসে তাপালোভিচের প্রসংশা করছিল । ফ্লিক আসার পর সে অতিরিক্ত দায়িত্ব পায় এবং ফ্লিকের প্রধান সহকারী কোচ হিসেবে কাজ শুরু করে।
ফ্লিক বরখাস্ত হওয়ার পর নাগেলসম্যানের সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় ২০২৩ সালে বায়ার্ন বোর্ড একে বরখাস্ত করে। বায়ার্ন মিউনিখ নয়্যারকে না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়। এজন্য নয়্যার বোর্ডকে সমালোচনা করে জরিমানার মুখোমুখিও হয়েছিল। তবে ভেতরে ভেতরে বায়ার্ন বোর্ড ও নয়্যার নিজেদের মধ্যে মধ্যস্থতা করে নেয়। এরপরে আর কোথাও কাজ করেনি টনি তাপালোভিচ। হ্যান্সি ফ্লিকের সাথে সুসম্পর্কও বজায় ছিল ঠিকঠাক। তাই বার্সায় আসার সময় কোচিং স্টাফদের সাথে নিয়ে আসছেন তাপালোভিচকে; সম্ভাবত এবারও গোলকিপিং কোচের পাশাপাশি ফ্লিকের প্রধান সহকারীর দায়িত্বে থাকবেন তিনি।
এসকে/আরআই


