অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির লক্ষ্যে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ(এলপিএল) থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তাসকিন আহমেদ। জিম্বাবুয়ে সফর শেষে দলের সঙ্গে ঢাকায় ফেরা তাসকিনের এই টুর্নামেন্টে জাফনা কিংসের হয়ে খেলার কথা ছিল।
প্রথমে এলপিএলে খেলার জন্য জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছুটি নিয়েছিলেন তাসকিন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজটি খেলতে আগস্টে বাংলাদেশ দলের দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে। ২০০৩ সালের পর এই প্রথম টাইগাররা অজিদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে।
শুরুতে এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) কাছ থেকে অনাপত্তি সনদ (এনওসি) নিয়েছিলেন তাসকিন। তবে ইনজুরির কারণে মোস্তাফিজুর রহমান ছিটকে পড়ায় তিনি জিম্বাবুয়েতেই থেকে যান এবং সেই সিরিজে অংশ নেন।
ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজকে তাসকিন জানান, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি নিতে তিনি এলপিএল খেলছেন না। জিম্বাবুয়েতে আমরা টানা ছয়টি ম্যাচ খেলেছি, আর সেখানে (এলপিএলে) হয়তো চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতাম। সেখানে খেলে দেশে ফেরার পরপরই যদি অস্ট্রেলিয়া সফরে যেতে হতো, তবে আমার টেস্ট ম্যাচের প্রস্তুতি ব্যাহত হতো।
এই পেসার আরও বলেন, সামান্য আর্থিক ক্ষতি হলেও আমি ভেবেছি ঠিক আছে, কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ তো আর সবসময় আসে না। তাই আমি সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম এবং এনওসি পাওয়া সত্ত্বেও এলপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাঁ দিকের পেশিতে টান লাগার কারণে নাহিদ রানার বিষয়টি নিয়েও বাংলাদেশ দলের ম্যানেজমেন্ট উদ্বেগের সাথে অপেক্ষা করছে। এই তরুণ পেসার তার নির্ধারিত ওভারের কোটা শেষ করতে পারেননি। আজই ফিরে আসা রানার চোটের তীব্রতা বোঝার জন্য স্ক্যান করানো হবে।
এদিকে জিম্বাবুয়ে সফরে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়া বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়, তবে প্রথম টেস্টের জন্য তাকে বিবেচনায় রাখা হতে পারে; কারণ এ ধরনের চোট থেকে সেরে উঠতে সাধারণত তিন সপ্তাহের মতো সময় লাগে।
চলমান বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রের অংশ হিসেবে দুটি টেস্ট ম্যাচ ডারউইন (১৩-১৭ আগস্ট) এবং ম্যাকাইতে (২২-২৬ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে।


