জাভিকে পছন্দমত খেলোয়াড় এনে দিলে আরো এক মৌসুম থাকবেন বার্সায়। কোম্যানকে বহিষ্কার করার পর সিজনের মাঝপথে বার্সার দায়িত্ব নিয়ে প্রথম সিজনে তেমন কিছু না জিততে পারলেও দ্বিতীয় মৌসুমেই বার্সাকে দুটো শিরোপা জেতান জাভি। ৩ বছর পর বার্সা লীগ টাইটেল জেতার যোগ্যতা অর্জন করলেও লজ্জাজনক উপায়ে বিদায় নেয় চ্যাম্পিয়নস লীগ থেকে। তাই সবসময়ই প্রসংশার পাশাপাশি সমালোচনা, আক্রমনও সামলানো লাগছিল। এই মৌসুমেও ব্যতিক্রম হয়নি, তাই ব্যর্থতার দ্বায় নিয়ে সিজন শেষে ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাভি, বলেছেন বার্সেলোনার ম্যানেজার হওয়া দুনিয়ায় সবচেয়ে কঠিন কাজ।
তবে লাপোর্তা বোর্ড আপাতত এই মুহুর্তে নতুন কোচ নিয়োগ দেয়ার গুরু দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেনা। তারা চায় জাভি অন্তত ২০২৬ সাল পর্যন্ত ক্লাবের দায়িত্বে বহাল থাকুক। জাভি বার বার না বলে আসলেও গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে অন্তত দুজন খেলোয়াড়কে দলে ভেড়ানোর শর্তে বার্সায় কোচিং চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছেন জাভি। নতুন সাইনিং গুলোর মাধ্যমে বার্সাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলাতে চান জাভি। জাভি আসার পর ক্লাবের অবস্থা ছিল যাচ্ছেতাই। দীর্ঘদিনের ত্রাণকর্তা মেসির বিদায়ে আর বয়স্ক, অযোগ্য ও অনভিজ্ঞ তরুনদের নিয়ে শুরু করলেও দ্বিতীয় সিজনেই বেশ কিছু প্রমানিত খেলোয়াড় পান জাভি। তবে সমস্যা হচ্ছিল ভাইটাল পজিশন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিয়ে। বুস্কেটস তার জেনারেশনের সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হলেও বয়সের সাথে সাথে কমে যাচ্ছিল খেলার ধার। তাকে রিপ্লেস করতে ওরিওল রোমেউকে নিয়ে আসা হলেও এই পজিশনে এখনো পর্যন্ত ব্যর্থই বলা যায় তাকে। এই পজিশনের জন্য জাভি রিয়াল সোসিদাদের জুভিমেন্ডি বা বায়ার্ন মিউনিখের কিমিখের যেকোনো একজনকে চান। অন্যদিকে মেসি যাওয়ার পর দলের সবচেয়ে ক্রিয়েটিভ খেলোয়াড় ছিলেন দেম্বেলে।
দেম্বেলে এই সিজনে ক্লাব ছাড়লে প্রথম দিকে বেশ ঝামেলা পোহাতে হলেও সিজনের মাঝপথে জাভি লা মাসিয়া থেকে তুলে আনেন লামিন য়্যামালকে। তবে মাত্র ১৬ বছর বয়সি ছোকরার উপর ভরসা করে যে সিজন শুরু করা যায়না একথা বেশ ভালো করেই জানেন জাভি। তাই রাইট উইংয়ে সিটির বার্নাদো সিলভাকে চান জাভি। গুজব আছে, বার্সায় খেলার জন্য ম্যানসিটির সাথে চুক্তি নবায়নের সময় আলাদা ক্লজও সেট করে রেখেছেন সিলভা। তবে এখনো পর্যন্ত নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যাচ্ছেনা কোনোকিছুই; সবকিছুর উত্তর পাওয়া যাবে আসন্ন দলবদলের মৌসুমে।
এসকে/আরআই


