বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনে অন্যতম একটি টাইমলাইনের নাম “পঞ্চপাণ্ডব”। যে ৫ জন খেলোয়াড়দের নিয়ে এই লাইনআপ তারা হলেন, মাশরাফি, তামিম, সাকিব, মুশফিক এবং মাহমুদউল্লাহ। ২০১৯ এর বিশ্বকাপের পর মাশরাফির স্টেপ-ডাউন এর মাধ্যমে আলগা হওয়া শুরু হয় এই পঞ্চপাণ্ডবের গিট।
যার ধারাবাহিকতায় নানান নাটকীয়তায় শেষমেশ অবসর নিয়ে নিলেন তামিম। তবে, ভক্তরা তামিম ইকবালের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে বাহবাও দিয়েছেন। তবে আজকের আলোচনার ওয়ার্ম টপিক হলেন সাকিব আল হাসান। কারন, জুলাইবিপ্লব এ ছাত্রজনতার মিশ্র প্রতিক্রিয়া থেকে উতরাতে না উতরাতেই ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে নিজের বোলিং অ্যাকশন এর বৈধতা নিয়ে আবারো নতুন করে স্পটলাইট এ আসলেন দ্যা গোল্ডেন বয় অফ বাংলাদেশ ক্রিকেট। তাকে ছাড়াই ঘোষনা হয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি-২০২৫ এর টাইগার স্কোয়াড।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে সাকিবের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ওয়ানে সমারসেটের বিপক্ষে ম্যাচে। টন্টনের সে ম্যাচে ১১১ রানে হেরে গিয়েছিল সাকিবের দল সারে। কিন্তু দুই ইনিংসে ৬৩ ওভার বোলিং করে সাকিব নিয়েছিলেন ৯ উইকেট। ম্যাচের প্রায় দুই মাস পর জানা যায়, ওই ম্যাচে সাকিবের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আম্পায়াররা। পরে ২ ডিসেম্বর বার্মিংহামের অদূরে লাফবরো ইউনিভার্সিটির মেডিকেল বিভাগে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দেন সাকিব। তবে, সেখানে ফলাফল পজিটিভ আসে নি। এরপর ভারতের চেন্নাই এ দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেন তিনি সেখান থেকেও কাংখিত ফল পান নি এই টাইগার অলরাউন্ডার। যার ফলে, শুধু ব্যাটার হিসেবে স্কোয়াডে তার থাকাটা একরকম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকে নির্বাচকদের জন্য। ২৪৭ ওয়ানডেতে ৩৭.২৯ গড়ে ৭৫৭০ রান আছে সাকিবের। ৯ সেঞ্চুরি ও ৫৬ ফিফটি করা এই বাঁহাতিকে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবেও কেন বিবেচনায় নেওয়া গেল না—এমন প্রশ্নে গাজী আশরাফের জবাব, ‘পাবলিকলি এত লেজেন্ডারি কাউকে না রাখার কারণ আলোচনা করা ঠিক হবে না। যারা আছেন তারা ক্যাপেবল (সক্ষম)। ঘরোয়াতে রান করেছেন।’
ভক্তদের চোখেমুখে প্রশ্নের ছাপ! তবে কি এবার সাকিব এর পালা?তার বেলায়ও কি তাহলে শব্দহীন বিদায় ঘন্টা ই বাজবে?
এসকে/রাকিবুল হাসান


