আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে লিটন ও মেহেদীকে জরিমানা


বাংলাদেশ টি–টুয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাস ও স্পিনার মেহেদী হাসানকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ডিসিপ্লিনারি কমিটি।

লিটনের বিরুদ্ধে বিসিবিকে না জানিয়ে চীনে যাওয়ায় এবং মেহেদীর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে টিম ম্যানেজমেন্টের প্রতি ক্ষোভ জানানোয় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

আলাদাভাবে দুজনের বক্তব্য শোনার পর কমিটি আর্থিক জরিমানার প্রস্তাব করেছে বোর্ডে। খবরটি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবি পরিচালক ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর।
সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘দুই ক্রিকেটারই তাঁদের ভুল স্বীকার করেছেন। কিন্তু যেহেতু তাঁরা কোড অব কন্ডাক্ট ভেঙেছেন, তাঁদের কিছু জরিমানা গুনতে হবে।’

গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজে চোট পান লিটন। যে কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজে ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সফরের একমাত্র টেস্টে খেলতে পারেননি। জিম্বাবুয়েতে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে গেলেও কোনো ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরে আসেন।

পরে বিসিবিকে না জানিয়ে চীনে যান বাংলাদেশ দলের টি–টুয়েন্টি অধিনায়ক। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে দেশ ছেড়ে যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় লিটনকে তলব করে তাঁর বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়।
সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রামে টি-টুয়েন্টি সিরিজে একাদশে জায়গা পাওয়া নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান মেহেদী হাসান, তুলে ধরেন নিজের হতাশার কথা। জিম্বাবুয়ে থেকে ফিরে বুধবার সন্ধ্যায় ডিসিপ্লিনারি কমিটির সামনে উপস্থিত হন মেহেদী। তাঁরও জরিমানার সুপারিশ করেছে কমিটি।

জরিমানার অঙ্ক কত হবে, তা অবশ্য বলেননি সিরাজউদ্দিন। তবে তিনি জানিয়েছেন, লিটনের চেয়ে মেহেদীকে বেশি আর্থিক জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন বোর্ড তা অনুমোদন করলে কার্যকর হবে।

সিরাজউদ্দিন বলেন, ‘শৃঙ্খলার বিষয়ে এই বোর্ডের অবস্থান খুব পরিষ্কার। যে–ই শৃঙ্খলা ভাঙবেন, তাঁকেই জবাবদিহি করতে হবে। সেটা খেলোয়াড় হোক, কোচ হোক, বোর্ড কর্মকর্তা এমনকি পরিচালক হলেও।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *