ম্যাচ শেষে ফিফার অফিসিয়াল ব্রডকাস্টারদের সাথে আলাপকালে তোরেস বলেন, ‘আজ ভাগ্য আগেই লেখা ছিল। আমাদের জেতার জন্যই এটি তৈরি হয়েছিল। আজ আমরা আমাদের আপনজনদের থেকে দূরে আছি, তবে আমরা তাদের যতটা সম্ভব কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করেছি।’ তিনি এই সাফল্যকে কেবল দলের নয়, বরং স্পেনের ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষের আবেগ ও প্রার্থনার ফসল হিসেবে অভিহিত করেন।
বিশ্বকাপে এ নিয়ে তোরেস তিন গোল করলেন। ফাইনালে বদলি হিসেবে নেমে জয়সূচক গোল করার কীর্তিতে তিনি এখন মারিও গোৎসের পাশে। তবে এই সাফল্যের পথটি সহজ ছিল না। টুর্নামেন্টজুড়ে সমালোচনার মুখে থাকা এই বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড বলেন, ‘(গোল করতে পেরে) বিশাল স্বস্তি লাগছে। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে সমালোচনা সহ্য করেছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, তিনি আমাকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছেন।’
প্রতিপক্ষ দলে লিওনেল মেসির উপস্থিতি নিয়ে খানিকটা ভয়ের কথা স্বীকার করলেও তোরেস বলেন, ‘ফাইনাল ম্যাচ সবসময়ই কঠিন হয়। প্রতিপক্ষ দলে যখন মেসি থাকে, তখন একটা ভয় তো কাজ করেই। তবে আমরা সবসময় নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং আমাদের নিজস্ব ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় আমরা আবারও তা করতে পেরেছি।’


