২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারের আলোকে আগামী ৬ ও ৯ সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল নেপালের বিপক্ষে দুটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে। এই ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে দুটি দলই শেষ মুহূর্তের অনুশীলনে ব্যস্ত সময় পার করছে। । দক্ষিণ এশীয় ফুটবলে বাংলাদেশ এবং নেপাল ঐতিহাসিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। তাই ম্যাচটি শুধু একটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ নয়, বরং দুই দেশের ফুটবল মর্যাদারও লড়াই।
বাংলাদেশ ও নেপাল এখন পর্যন্ত মোট ২৪ বার মুখোমুখি হয়েছ্, যেগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের জয়ই বেশি। এই ২৪টি ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ১৩টি এবং নেপাল জয় পেয়েছে ৮টিতে আর বাকি ৩টি ম্যাচে ড্র হয়েছে। সর্বমোট ৫৭টি গোল হয় এই ২৫টি ম্যাচে যার মধ্যে বাংলাদেশ মোট ৩৬টি গোল করতে সক্ষম হয় আর নেপাল গোল দেয় ২৪ টি। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশ স্পষ্টতই এগিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের উন্নতি তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে।
নেপাল ও বাংলাদেশের এককভাবে খেলা সর্বশেষ ৫টি ম্যাচের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশ এবং নেপাল উভয় দলই ভালো ফর্মে রয়েছে।
বাংলাদেশ (শেষ ৫ ম্যাচ):
জয় – ২টি (মালদ্বীপ, ভুটান)
ড্র – ১টি (ভারত)
হার – ২টি (মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর)
নেপাল (শেষ ৫ ম্যাচ):
জয় – ২টি (আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর)
ড্র – ১টি (হংকং)
হার – ২টি (মালয়শিয়া, লাওস)

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৮৪ তম এবং নেপাল ১৭৬ তম অবস্থানে রয়েছে। নেপাল র্যাঙ্কিং এ এগিয়ে থাকলেও, হেড-টু-হেড পরিসংখ্যান বাংলাদেশকে কিছুটা আত্মবিশ্বাসী করে তুলছে।
ঢাকা ও কাঠমান্ডু দুই শহরেই ম্যাচটি নিয়ে উৎসাহের শেষ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যেই হ্যশট্যাগ বাংলাদেশ বনাম নেপাল ট্রেন্ড বিরাজ করছে। দর্শকদের ভিড় বাড়ছে টিকিট কাউন্টারে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে
দুই দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, পরিসংখ্যান এবং খেলোয়াড়দের মান বিবেচনা করলে ম্যাচটি হবে সমানতালে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। তবে বাংলাদেশ যদি আক্রমণভাগে কার্যকর হয় এবং মিডফিল্ড নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারে, তাহলে জয়ের সম্ভাবনা তাদের দিকেই বেশি।


