নিজেদের খেলোয়াড়দের কাছেই গোল হজম করছে মাদ্রিদ।

মৌসুমের শুরুতে ইঞ্জুরির কবলে পড়ে অনেকগুলো প্রয়োজনীয় প্লেয়ারকে হারালেও এখনো পর্যন্ত উড়ন্ত ফর্মে আছে তারা৷ ইঞ্জুরি না ভোগালেও, ভোগাচ্ছে রিয়ালের একাডেমি প্লেয়াররা। আজকের ম্যাচে প্রথমার্ধের ৩ মিনিটেই জোসেলুর গোলে এগিয়ে গেলেও ২৭তম মিনিটে রাউল দে তমাস পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরলাইনে সমতা আনেন। রাউল দে তমাস মাত্র ১১ বছর বয়সে মাদ্রিদের একাডেমি লা ফেব্রিকায় যোগ দেন।

এছাড়াও গত তিন ম্যাচে হজম করা সবগুলো গোলই এসেছে তাদের একাডেমি খেলোয়াড়দের পা থেকে। লরেন্তের ৯৩ মিনিটের গোলে তো পয়েন্টই হারালো এথলেটিকোর কাছে। পুরো সিজন হিসেব করলে দেখা যায়, রিয়ালের জালে প্রবেশ করা ১৬ টি গোলের ৮ টি গোলই এসেছে তাদের একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েট করা ৭ জন খেলোয়াড়ের পা থেকে।

সম্প্রতি এক জরিপে দেখা যায়, স্পেনের একাডেমি গুলোর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদের লা ফেব্রিকা খেলোয়াড় বিক্রি করে সবচেয়ে বেশি মুনাফা অর্জন করেছে। ভালোর সাথেই মন্দের অবস্থান। কে জানে, হয়তো মাদ্রিদ তারই মাশুল দিচ্ছে।

এসকে/আরএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *