২৪ (শনিবার) ফেব্রুয়ারী গুলশানে পাকিস্তান হাই কমিশনে আয়োজিত ১ম মিয়া সুলতান খান দাবা টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিলেন তরুণ থেকে শুরু সকল বয়সের দাবাড়ুরা। কয়েক দেশের প্রতিনিধির মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগী ছিলো বাংলাদেশ থেকেই। মিয়া সুলতান খান দাবা টুর্নামেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএ(বার), সভাপতি (বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন)। উক্ত টুর্নামেন্ট দুই দেশের সম্পর্ক বৃদ্ধিতে নতুন রূপরেখা তৈরি করবে বিশ্বাস রাখেন বেনজীর আহমেদ। তিনি আরও বলেন, ‘দাবা একটি সম্ভাবনাময় খেলা, এবং পাকিস্তান হাই কমিশনকে অসংখ্য ধন্যবাদ — সফলভাবে উক্ত টুর্নামেন্টটি আয়োজন করার জন্য। এমন টুর্নামেন্ট ধারাবাহিক ভাবে আয়োজিত হলে দেশের দাবাতে তা বিশেষ গুরুত্ব রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

টুর্নামেন্টে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব সৈয়দ শাহাব উদ্দিন শামীম। এসময় তিনি জানান, ‘পাকিস্তান হাই কমিশনারকে বিশেষ ধন্যবাদ, এমন আয়োজনের জন্য। আমরা (দাবা ফেডারেশন) সর্বদা এমন আয়োজনে সামিল থাকবো। আমরা এ ধরণের উদ্যেগকে সাধুবাদ জানাই। দেশের দাবা খেলা প্রসারিত করতে এমন আয়োজন প্রতিনিয়তই প্রয়োজন।’

টুর্নামেন্টে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার রাণী হামিদ। এসময় তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান হাইকমিশনার কে ধন্যবাদ। মিয়া সুলতান খানের নামে টুর্নামেন্টটি করার জন্য। আমার অনুরোধ থাকবে এই টুর্নামেন্টটি নিয়মিত করার জন্য।’

আর সর্বশেষ টুর্নামেন্টে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার জনাব সৈয়দ আহমেদ মারুফ। তিনি এসময় বলেন, ‘বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনকে ধন্যবাদ। তাদের ট্যাকনিক্যাল সমর্থনের জন্যই মূলত আয়োজনটি সফলভাবে আমরা করতে পেরেছি। অদূর ভবিষ্যতেও আমরা এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো। এবং আমি বিশ্বাস রাখি, এ ধরণের আয়োজন বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও মজবুত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।’
টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দাবা দলের সদস্য ও আন্তর্জাতিক মাস্টার খেতাব প্রাপ্ত মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন ও রানার্সআপ হয়েছেন ফিদে মাস্টার তাহসীন তাজওয়ান। এ সময় তাদের হাতে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দরা।
এসকে/পিএইচএম


