বাংলাদেশের সুপার ৮ এর মিশন শুরু হবে আগামী ২১ জুন বাংলাদেশ সময় ভোর ৬:৩০ এ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডায় অবস্থিত স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
অস্ট্রেলিয়ার সাথে এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি বাংলাদেশের সম্ভাব্য সেমিফাইনাল যাত্রায় একটা বড় ভূমিকা পালন করবে। খুব সম্ভবত একই উইনিং কম্বিনেশন নিয়েই নামবে বাংলাদেশ, তবে জাকের আলী ভালো না খেলায় খুব সম্ভবত শেখ মাহেদীকে খেলানো হতে পারে। আবার তাসকিন আহমেদ একটানা ৪ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন, তাই তার জায়গায় শরিফুল ইসলামকে খেলানো হতে। উল্লেখ্য যে, অজি টপঅর্ডারের বাঁহাতি ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে দুর্বলতা আছে। তবে বাংলাদেশের ব্যর্থতা বারবার প্রকাশ পাচ্ছে তাদের টপঅর্ডার লাইনআপে। প্রতিবারই এই টপ অর্ডার নামক পঁচা শামুকে পা কেটে যাচ্ছে শান্ত, লিটন, সৌম্য, তানজিদের। তানজিদ অবশ্য নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩৫ রানের একটা গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। এখন স্টার্ক, স্টয়নিস, এলিস, জাম্পাদের বিপক্ষে জেতার জন্য ভালো ব্যাটিংয়ের কোন বিকল্প নেই।
বোলিংয়ের কথা বললে বাংলাদেশ এখন অবধি সেক্ষেত্রে ৯৯% সাফল্যের দেখা পেয়েছে। তাসকিন, তানজিম সাকিব, মুস্তাফিজ, রিশাদরা সবাই সাফল্যের মুখ দেখেছেন। সাকিব আল হাসান প্রথম ৩ ম্যাচ উইকেটশূন্য থাকলেও শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে চূড়ান্ত দুটি উইকেট নেন। টি-২০ বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী এই তারকার আর একটি উইকেট লাগবে ৫০ উইকেট অর্জন করতে।
এই রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত:বল হাতে:
তানজিম সাকিব: ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট (১/২৪ ,৩/১৮ ,১/২৩ ,৪/৭)
মুস্তাফিজুর রহমান : ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট (৩/১৭, ০/১৮, ১/১২, ৩/৭)
তাসকিন আহমেদ : ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট (২/২৫, ২/১৯, ২/৩০, ১/২৯)
রিশাদ হোসেন : ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট ( ৩/২২, ১/৩২, ৩/৩৩, ০/১৫)
সাকিব আল হাসান : ৪ ম্যাচে ২ উইকেট (০/৩০, ০/৬, ০/২৯, ২/৯)
ব্যাট হাতে:
তৌহিদ হৃদয়: ৪ ম্যাচে ৯৫ রান (৪০, ৩৭, ৯,৯)
সাকিব আল হাসান : ৪ ম্যাচে ৯২ (৮, ৩, ৬৪, ১৭)
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ : ৪ ম্যাচে ৭৪ (১৬*, ২০, ২৫, ১৩)
লিটন দাস: ৪ ম্যাচে ৫৬ (৩৬,৯,১,১০)
তানজিদ তামিম : ৪ ম্যাচে ৪৭( ৩,৯,৩৫,০)
এসকে/জেএইচ


